প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও গোপন সূত্র থেকে চাঞ্চল্যকর এক তথ্য পাওয়া গেছে। যমুনা নদীর ওপর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সড়ক ও রেল সেতু নির্মাণের মেগা প্রকল্প নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে চূড়ান্ত খসড়া তৈরি হচ্ছে।
সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো, এই দ্বিতীয় যমুনা সেতুটি নির্মিত হতে যাচ্ছে জামালপুরের মাদারগঞ্জ থেকে বগুড়ার সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট রুটে।
কেন এই রুটটি বেছে নেওয়া হচ্ছে?
সূত্র জানায়, ঢাকার সাথে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত করার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন রুট নিয়ে সমীক্ষা চালানো হচ্ছিল। তবে ভৌগোলিক দিক থেকে বিচার করে দেখা গেছে, মাদারগঞ্জ থেকে সারিয়াকান্দির কালিতলা ঘাট পর্যন্ত যমুনা নদীর প্রস্থ ও দূরত্ব অন্যান্য রুটের তুলনায় অনেক কম।
কম দূরত্ব ও ব্যয় সংকোচন: নদী যেখানে সংকীর্ণ, সেখানে সেতু নির্মাণ করলে মূল সেতুর দৈর্ঘ্য কম হবে। ফলে সরকারের হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।
সময় ও দূরত্বের সাশ্রয়: এই সেতুটি নির্মিত হলে ঢাকা থেকে বগুড়া, গাইবান্ধা, রংপুরসহ উত্তরবঙ্গের বিশাল অংশের দূরত্ব প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার কমে যাবে।
গোপন ফাইল থেকে প্রাপ্ত তথ্য
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (PMO) এবং সেতু বিভাগের একটি বিশেষ উইং ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের প্রাথমিক নকশা এবং সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের (Feasibility Study) কাজ গোপনে সম্পন্ন করেছে।
"প্রকল্পটির ফাইলটি অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে প্রসেস করা হচ্ছে যাতে কোনো ধরনের ভূমিদস্যু বা দালাল চক্র আগে থেকেই জমি কেনাবেচার সিন্ডিকেট তৈরি করতে না পারে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই একটি মেগা প্রকল্পের আওতায় এটি মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হতে পারে।"
— নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
আঞ্চলিক অর্থনীতিতে এর প্রভাব
এই সেতুটি দৃশ্যমান হলে জামালপুর ও বগুড়া অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র সম্পূর্ণ বদলে যাবে। কালিতলা ঘাট দিয়ে এখন যেখানে প্রতিদিন হাজারো মানুষ নৌকায় করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাতায়াত করে, সেখানে মাত্র কয়েক মিনিটে নদী পার হওয়া সম্ভব হবে। এছাড়া চরাঞ্চলের উৎপাদিত কৃষিপণ্য সরাসরি রাজধানীতে পাঠানোর এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
সরকারের এই মহাপরিকল্পনাটি চূড়ান্ত অনুমোদনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও গোপন সূত্র থেকে চাঞ্চল্যকর এক তথ্য পাওয়া গেছে। যমুনা নদীর ওপর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সড়ক ও রেল সেতু নির্মাণের মেগা প্রকল্প নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে চূড়ান্ত খসড়া তৈরি হচ্ছে।
সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো, এই দ্বিতীয় যমুনা সেতুটি নির্মিত হতে যাচ্ছে জামালপুরের মাদারগঞ্জ থেকে বগুড়ার সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট রুটে।
কেন এই রুটটি বেছে নেওয়া হচ্ছে?
সূত্র জানায়, ঢাকার সাথে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত করার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন রুট নিয়ে সমীক্ষা চালানো হচ্ছিল। তবে ভৌগোলিক দিক থেকে বিচার করে দেখা গেছে, মাদারগঞ্জ থেকে সারিয়াকান্দির কালিতলা ঘাট পর্যন্ত যমুনা নদীর প্রস্থ ও দূরত্ব অন্যান্য রুটের তুলনায় অনেক কম।
কম দূরত্ব ও ব্যয় সংকোচন: নদী যেখানে সংকীর্ণ, সেখানে সেতু নির্মাণ করলে মূল সেতুর দৈর্ঘ্য কম হবে। ফলে সরকারের হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।
সময় ও দূরত্বের সাশ্রয়: এই সেতুটি নির্মিত হলে ঢাকা থেকে বগুড়া, গাইবান্ধা, রংপুরসহ উত্তরবঙ্গের বিশাল অংশের দূরত্ব প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার কমে যাবে।
গোপন ফাইল থেকে প্রাপ্ত তথ্য
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (PMO) এবং সেতু বিভাগের একটি বিশেষ উইং ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের প্রাথমিক নকশা এবং সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের (Feasibility Study) কাজ গোপনে সম্পন্ন করেছে।
"প্রকল্পটির ফাইলটি অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে প্রসেস করা হচ্ছে যাতে কোনো ধরনের ভূমিদস্যু বা দালাল চক্র আগে থেকেই জমি কেনাবেচার সিন্ডিকেট তৈরি করতে না পারে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই একটি মেগা প্রকল্পের আওতায় এটি মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হতে পারে।"
— নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
আঞ্চলিক অর্থনীতিতে এর প্রভাব
এই সেতুটি দৃশ্যমান হলে জামালপুর ও বগুড়া অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র সম্পূর্ণ বদলে যাবে। কালিতলা ঘাট দিয়ে এখন যেখানে প্রতিদিন হাজারো মানুষ নৌকায় করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাতায়াত করে, সেখানে মাত্র কয়েক মিনিটে নদী পার হওয়া সম্ভব হবে। এছাড়া চরাঞ্চলের উৎপাদিত কৃষিপণ্য সরাসরি রাজধানীতে পাঠানোর এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
সরকারের এই মহাপরিকল্পনাটি চূড়ান্ত অনুমোদনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন